দায়েমী সালাত



দায়েম = অর্থ অবিরাম, নিরবিচ্ছিন্ন,
বিরতিহীন ।
সালাত = অর্থ আল্লাহ ওঁ তাঁহার রসূল
কে স্মরণ করা এবং তাঁহাদের সহিত
সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা ।
দায়েমী সালাত অর্থ আল্লাহ ওঁ তাঁহার রসূল কে অবিরাম বা নিরবিচ্ছিন্ন স্মরণের দ্বারা তাঁহাদের সাহিত সংযোগ স্থাপন করা ।
প্রতিটি কর্মে, প্রতিটি নিশ্বাস-প্রশ্বাসে, প্রতিটি মুহূর্তে স্মরণ ক্রিয়া চালিয়ে যাওয়াই দায়েমী সালাত । আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে হলে প্রথমে তাঁহার রসূলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে হয় ।
রসূলের সংযোগ ই আল্লাহর সংযোগ ।
প্রতিটি কামেল মুর্শিদই যে একজন রসূল এই কথা না বুঝিলে সালাতের মূলনীতি নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করা এক প্রকার অসম্ভব ।
রসূল রূপে প্রভু মোহাম্মদ (সঃ) হইলেন সকল রসূলদের সর্দার বা নেতা তাই রসুলুল্লাহ বলা হয় । সালাতের মূল নীতি ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠিত করে আত্ম দর্শনের গভীরতা অর্জন করতে হলে প্রথমে আপন্মুরশিদ কে অবিরামভাবে স্মরণ করতে হবে ।
এই স্মরণ থেকে শুরু করে পরিনামে বাস্তব সংযোগ প্রতিষ্ঠা করাই হইলো দায়েমী সালাত ।

সালাত অর্থই দায়েমী সালাত বা নিরবিচ্ছিন্ন স্মরণ -
দায়েমী সালাতের নির্দেশই
#আল_কোরআনে দেয়া হয়েছে ।

"সেই ব্যক্তিই মুসল্লি যিনি তাঁহার সালাতে (স্মরণে) সর্বক্ষণ অধিষ্ঠিত থাকেন ।"
আল- কোরআন ( ৭০ : ২২-২৩)

যেহি মুর্শিদ সেই তো রসূল
তাঁহাতে নাই কোন ভুল
আহাম্মদের রূপে এবার খোদাও সে হয়
লালন কয়না এমন কথা, কোরআনে কয় ।।
কামেল একজন মহা পুরুষের মধ্যে আল্লাহ সত্তা ব্যতীত ভিন্ন কোন সত্তা নেই ।
তাই স্মরণ মূলত আপন পীরের দিকেই করতে হয় । কোরানুল করীমের ভাষ্য হল সালাত কায়েম করো বা স্মরণ প্রতিষ্ঠিত করো ।
সালাত প্রথমে প্রতিষ্ঠিত হবে সালাতি ব্যক্তির হৃদয়ের মধ্যে । সালাতি ব্যক্তি যখন নিজের অন্তঃকরণের মধ্যে আপন পীরের স্মরণকে নিরবিচ্ছিন্ন করতে পারবে তখনই তাঁহার সালাত কায়েম হবে ।

কৃতজ্ঞতায়- সূফী সদর উদ্দিন আহমেদ চিশতী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ