হাদিস শরিফে #নূর_নবী_রাসূলে কারীম ফরমান:-
"লা সালাতি ইল্লা বি হুজুরী ক্বলব"
অর্থ:- (হুজুরী ক্বলব ব্যতিত নামাজ হয় না)।
#নামাজের_সূরত_কি.?
নামাজের সূরত হলো আহমদি সূরত,নামাজের প্রকাশ আমার নূর নবী হজরতের নূরের ঘাম হতে। সৃষ্টির আদিতে সেই ঘামের রুপ হরফ হল নূন।
#হুজুরী_ক্বলব_কি.?
হুজুর শব্দের অর্থ হলো:- হাজির,আমার মহান মাবুদ হাজির ও নাজির।
ক্বলব শব্দের অর্থ হলো:- দ্বীল বা হৃদয়।
হাকিকত হলো:- হৃদয়ে মাবুদকে হাজির রেখে নামাজ শুরু করতে হয়।
আরো সহজ করে বলতেছি,যখন আমরা নামাজ শুরু করার জন্য জায়নামাজে দাঁড়াই তখন বলি:-
"ইন্নী ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযি ফাতারাছ্ সামা -ওয়াতি ওয়াল আরদ্বা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন"
অর্থ:- (যিনি আকাশ সমূহ ও পৃথিবী সৃজন করেছেন, আমি সকল দিক হতে নিজেকে বিছিন্ন করে,একমাত্র তার দিকে মনোনিবেশ করলাম,আর আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই)..।।
যদি মানুষ নিজেকে নামাজি ভাবে তবে এই আয়াতের দিকে নজর দেওয়া খুব দরকার।কারন হাদিসে হুজুরী ক্বলবের কথা আর এই আয়াতের মাবুদের দিকে মনোনিবেশ করা,দুইটার হাকিকত এক ও অভিন্ন ও খুব তক্ত্বযুক্ত। যদি কেও নামাজে হুজুরী ক্বলবে নামাজ না পড়তে পারে, তবে সে নিশ্চই মুশরিক..।।
আহমদি সূরত মানে কি আহমদই বা কি?
আহমদ হল চরম ও পরম প্রশংসাকারী,যার সমতূল্য আর কিছুই নাই,সেই আহমদি সূরত ধরেই নামাজে দাঁড়াতে হয় ও হবে। অর্থাৎ চরম ও পরম প্রশংসা দ্বারা মাবুদকে নিজ হৃদয়ে হাজির করতে হবে।
নামাজের অঙ্গভঙ্গি কি?
নামাজের অঙ্গভঙ্গি হলো:- আলিফ রুপে দাঁড়ানো, হা রুপে রুকু করা, মীম রুপে সেজদা করা ও দাল রুপে আসন করা।
নামাজ কোনো সাধারন ইবাদত নয়,যে অতি তারাতাড়ি শেষ করা যায় নিজের মনের মত করে।এই নামাজ হল মুমিনগনের মেরাজ,নিজ ক্বলবের মাঝে মাবুদকে হাজির করে তার রুপ দর্শন করে আহমদি সূরতে মাবুদের চরম ও পরম প্রশংসা করাকেই নামাজ বলে.!!
তাই নামাজকে সর্বশ্রেষ্ঠ সাধনা মনে করেই নামাজ কায়েম করতে হবে।

1 মন্তব্যসমূহ
জয় গুরু
উত্তরমুছুন