আধ্যাত্মিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের দৃষ্টিতে মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী (ম.)।
১. “নিঃসন্দেহে আমার অনুভূতিতে মওলা হুজুর একজন অলি উল্লাহ। এ মর্মে আমাকে রাসুল (সঃ) সুসংবাদ দিয়েছেন এবং পূর্ববর্তী আউলিয়া কেরামগণ আমাকে এ ব্যাপারে তাঁর পরিচয় দিয়েছেন। পূর্ববর্তী সকল আউলিয়া কেরামের প্রতিচ্ছবি আমি শ্রদ্ধেয় মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী (মঃ)’র মাঝে দেখতে পাচ্ছি।
- শাইখ আল্লামা সৈয়দ জিয়া উদ্দিন ইবনে হুসাইন মুস্তাফা আল কাত্তাবি আল ইদ্রিসি আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী,
সাযিলিয়া ত্বরিকার পীর, সুদান। [আন্তর্জাতিক সুফি সম্মেলন ২০১১]
২. “এই হাত (মওলা হুজুরের) তো হযরত সাহেব কেবলার হাত”
- ১৪০ বছর বয়সী প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মাওলানা শাহসুদ্দিন আহম্মদ চাটগামী প্রকাশ বুড়া মৌলভী। (মওলা হুজুরের ডান হাতখানা নিজের মাথায় স্থাপন করে আবেগমাখা কণ্ঠে তিনি এই কথা বলেন) [সূত্র: মাসিক আলোকধারা, আগস্ট ১৯৯৮ সংখ্যা]
৩. “তাঁকে (মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারীকে) আমি উত্তম চরিত্র ও আলেমদের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার দৃষ্টান্তরূপে পেলাম”
- হযরত তৌফিস রেজা খান বেরলভী (ম.), আউলাদে ইমাম আহমদ রেজা খান বেরলভী (র.)। [সূত্র: মাসিক আলোকধারা]
৪. “ওনি (সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান) আমার বড় ভাই সৈয়দ মীর হাসান” ।
- অছিয়ে গাউসুল আযম সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (ক.) [বর্ণনাকারীঃ মোহাম্মদ ফকির, চিকদাইর, রাউজান]
৫. “আমার হাসান মিয়া মস্তবড় আল্লাহর অলি। মানুষের কল্যাণের জন্য এসেছেন। সাধ্যমত ইজ্জত সম্মান করবেন।”
৬. “আল্লাহ ও রাসূলের মধ্যে যেমন ভিন্নতা নেই ঠিক আমি আর আমার হাসান মিয়ার মধ্যেও কোন ভিন্নতা নেই।”
৭. “শিশুরা খাওয়ার জন্য একটু দুধও পাচ্ছে না, আমার হাসান মিয়া না বাঁচলে দুনিয়াতে কোন শিশু বাঁচবে না।” (১৯৭৩-৭৪ সালে আফ্রিকার ইথিওপিয়া ও বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের সময় শাহানশাহ্ বাবাজান একথা বলেন)
৮. “আমি এখানে (সুইচের সাথে এলোমেলো জড়ানো ইলেক্ট্রিক তারে) হাত দিলে আমার হাসান মিয়া হাত ধরে টান দেয়। এভাবে হাসান মিয়া আমাকে তিনবার বাঁচিয়েছে।” (এ কথা বলে শাহানশাহ্ বাবাজান সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ ও জামাল আহমদ সিকদার সাহেবকে প্রশ্ন করেন) “আল্লাহর অলি কি কারো ভাই হয়? উনাকেও (মওলা হুজুরকে) আপনারা বাবাজান বলে ডাকবেন।” (রহস্যপূর্ণ বাণী)
- বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)
[বর্ণনাকারীঃ জামাল আহমদ সিকদার]
৯. “আমি তিন থানার উপরে আমার ভাই হাসান চার থানার উপরে। আমারও উপরে।”
- হযরত শাহজাহান চৌধুরী (ম.)। [ অাধ্যাত্মিক মর্যাদার ইঙ্গিত বিশেষ বাণী। উল্লেখ্য যে, ২০১০ সালে একদিন হযরত শাহজাহান মামা দরবারে আসলে জনাব জামাল আহমদ সিকদারের সাথে গাউসিয়া হক মনজিল অফিসে বসেন। এমন সময় জনাব জামাল আহমদ সিকদারের মনে প্রশ্ন আসে ‘ শাহানশাহ্ বাবাজান মওলা হুজুরকে আল্লাহর মস্তবড় অলি বলেছেন আর উনার (শাহজাহান মামার) আচার-আচরণ অনেকখানি শাহানশাহ্ বাবাজানের সাথে মিলে যায় । এ দুইজনের মধ্যে কার আধ্যাত্মিক অবস্থান উপরে?’ সঙ্গে সঙ্গে শাহজাহান মামা জনাব জামাল আহমদ সিকদার সাহেবকে উপরোক্ত কথাটি বলেন এবং ৫০০ টাকাও হাতে দেন । যে টাকা এখনো আমার কাছে (শওকত) সংরক্ষিত আছে]
১০. “মাননীয় শেখ হাসিনা আপনি আমাকে দুইবার নমিনেশন দিয়েছিলেন কিন্তু আমি নির্বাচিত হতে পারিনি। যার দোয়াতে আমি এমপি ও মন্ত্রী হয়েছি তাঁকে (মওলা হুজুর) প্রটোকল ভেঙ্গে পা’য়ে ধরে সালাম করেছি।”
- জনাব এম.এ মান্নান, সাবেক মন্ত্রী, বাংলাদেশ শ্রম ও বৈদেশিক কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ১৯৯৬ । [সূত্র: তিনি যখন বাংলাদেশের শ্রম মন্ত্রী ছিলেন ঐ সময় মওলা হুজুরকে চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে পা’য়ে ধরে সালাম করেন। যার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, একজন মন্ত্রী হয়ে প্রটোকল ভেঙ্গে জনসম্মুখে এভাবে সালাম করার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী মান্নান সাহেব প্রধানমন্ত্রীকে এই উত্তর দেন। বর্ণনাকারী জামাল আহমদ সিকদার।]
১১. “আরব, তোরান, ইরান, আফগান, পাকিস্তান সহ বিশ্বের প্রায় সকল দেশে আমি গিয়েছি কিন্তু বর্তমানের কোন আলেমের কাছে আমি ‘এলকা এলহাম’ দেখতে পাইনি। পবিত্র ইসলাম ধর্মে সূফিদের মধ্যে বর্তমানে ক্রান্তিকাল চলছে দেখে আমি খুবই চিন্তিত এমন সময় আমার কাছে মওলা হুজুরের কথা বারবার মনে পড়ে, মনে হচ্ছে উঁনাকে দিয়ে অনেক কিছু সম্ভব।”
- শামিম মোহাম্মদ আফজাল, মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন। [সূত্র: ২০১২ মহান ২৬ আশ্বিন উরস শরীফ উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রীয় মাহফিল]
১২. “এক হাজার ওয়াট এর কোন একটি বাল্ব যদি এখান জ্বলে তা কিন্ত ১০০ মাইল দূর থেকে কেউ দেখবে না । ঠিক মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী যে কত বড় মাপের আল্লাহর অলি তা কাছে না গেলে বুঝতে পারবেন না। কাছ থেকে দেখেছি বলে উনি কত বড় মাপের আল্লাহর অলি তা বুঝেছি। এজন্যই তাঁর পিছু পিছু ঘুরি।”
- ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। [সূত্র: বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মাইজভাণ্ডারী দর্শন শীর্ষক সেমিনার, বেতাগী, রাঙ্গুনিয়া। ১৯ ডিসেম্বর ২০১২]
১৩. “মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী হচ্ছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এর অহংকারের জায়গা। আল্লাহ্ উনাকে ভালবাসেন, মওলা হুজুরের আলোচনা যখন আসমানে চলে দুনিয়ার মানুষ তখন তাঁকে রাহবারে আলম বলে ডাকেন ও ভালবাসেন।”
- ড. মাওলানা মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ
সহযোগী অধ্যাপক, আরবী বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। [সূত্র: অছি-এ গাউসুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী জীবন-কর্ম ও বেলায়তে মোতলাকা শীর্ষক আলোচনা, ফটিকছড়ি, ১৩ মে ২০১৮ খ্রি:]
১৪. “একজন মানুষের জীবনের দিক পরিবর্তনের জন্য মহান মুনিব মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারীর কোন কথা নয় এক পলক দৃষ্টিই যথেষ্ট।”
- ড. নিজাম উদ্দিন জামি, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
[সূত্র: মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি রোসাংগিরী শাখার দায়রা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২০০৮]
১৫. “মাননীয় হাসান....আমি যেদিন আপনাকে দেখেছি, সেদিনই মনে হয়েছে আপনি নফসে জাকিয়া, আপনি ইয়াহিয়া, আপনি সিরাজ ভ্রাতা মেহেদী। আপনি যেন সেই যুবক যে রাভী নদীতে হারিয়ে যাওয়ার পর যার জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীর এক বছর শোক পালন করেছিলেন। আপনাকে আমার খুব আপন মনে হয়। আপনাকে দেখতে ইচ্ছে হয় খুব। দোয়া করুন যেন লেখায় ধার আসে।”
- ইদরিস আলম
খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক। [সূত্র: ‘ইদরিস আলমের কলাম’ দৈনিক পূর্বকোণ-৮ অক্টোবর ১৯৯৮]
১৬. “দুনিয়ার অনেক পীরকে আমি দেখেছি এবং প্রায় সকল পীরের মধ্যে পীর হিসেবে আত্ম অহংকারও আমি দেখেছি কিন্তু একমাত্র মওলা হুজুরকে কাছে থেকে দেখে বুঝতে পারলাম উনি একজন মাটির মানুষ”
- আহমদুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট কলামিস্ট। [সূত্র: তুরুস্ক সফর শেষে দরবারে জিয়ারতে আসলে জনাব জামাল আহমদ সিকদারের সাথে আলাপচারিতায় তিনি এই মন্তব্য করেন, বর্ণনাকারী মোঃ শওকত আলী।
১৭. “শাহানশাহ্ বাবাজানের ওফাতের পর ১৯ বছরের একজন কিশোর মওলা হুজুরকে আমরা আমাদের রাহবার হিসেবে স্বীকার ও গ্রহণ করি অথচ ইসলামের প্রথম দিকে যাঁকে আল্লাহর রাসূল (স.) ‘আমি যার মওলা, আলীও তার মওলা’ বলে ঘোষণা করার পরও অনেকে মেনে নিতে পারেনি। তাই হাশরের মাঠে আমাদের এই কাজে আল্লাহর রাসূল (স.) সন্তুষ্ট হয়ে আমাদেরকে সম্মানিত করবেন।”
- হযরত সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ (র.) [প্রধান খলিফা বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)]
১৮. হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (ক.), বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.), সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ (র.) সহ অনেক অলিআল্লাহ কে দীর্ঘদিন ধরে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। একজন মহামানবের কাছে যে সকল গুণাবলি থাকা প্রয়োজন মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারীর কাছে আমি তার সবকটি দেখেছি। তাঁর কাজকর্ম স্বভাব-চরিত্র দেখে আমি নিশ্চিতভাবে বুঝতে পেরেছি শাহানশাহ্ বাবাজানের পর মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী হচ্ছেন ‘জামানার মোজাদ্দেদ’, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের মূল সাজ্জাদানশীন, সব্যসাচী অলিআল্লাহ।
আপনাদের বিশ্বাস না হলে বিশ্বের প্রধান পাঁচটি সমস্যার সমাধান এর জন্য উনার কাছে যান, পাঁচটি প্রশ্ন উনাকে করেন (একটি আধ্যাত্মিক, একটি রাজনৈতিক, একটি অর্থনৈতিক, একটি সামাজিক, একটি পারিবারিক) একই সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে বর্তমান সময়ের পৃথিবীর অন্যান্য যত সূফি ব্যক্তিত্বগণ আছেন উনাদের কাছেও যান। প্রশ্ন উত্তরগুলো রেকর্ড করেন তারপর মিলিয়ে দেখেন। নিশ্চিত আপনারা আমার কথার সত্যতার প্রমাণ পাবেন।”
“হাশরের ময়দানে বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ বাবাজান আমাদের জিজ্ঞেস করবেন, বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্ব তোমাদের কাছে রেখে এসেছিলাম, তাঁর (মওলা হুজুর) মিশনকে বিশ্ববাসির কাছে পৌছানোর জন্য তোমরা কি করেছ? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সারাজীবন কাজ করার চেষ্টা করেছি।”
- জামাল আহমদ সিকদার, লেখক, গবেষক ও সংগঠক, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
১. “নিঃসন্দেহে আমার অনুভূতিতে মওলা হুজুর একজন অলি উল্লাহ। এ মর্মে আমাকে রাসুল (সঃ) সুসংবাদ দিয়েছেন এবং পূর্ববর্তী আউলিয়া কেরামগণ আমাকে এ ব্যাপারে তাঁর পরিচয় দিয়েছেন। পূর্ববর্তী সকল আউলিয়া কেরামের প্রতিচ্ছবি আমি শ্রদ্ধেয় মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী (মঃ)’র মাঝে দেখতে পাচ্ছি।
- শাইখ আল্লামা সৈয়দ জিয়া উদ্দিন ইবনে হুসাইন মুস্তাফা আল কাত্তাবি আল ইদ্রিসি আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী,
সাযিলিয়া ত্বরিকার পীর, সুদান। [আন্তর্জাতিক সুফি সম্মেলন ২০১১]
২. “এই হাত (মওলা হুজুরের) তো হযরত সাহেব কেবলার হাত”
- ১৪০ বছর বয়সী প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মাওলানা শাহসুদ্দিন আহম্মদ চাটগামী প্রকাশ বুড়া মৌলভী। (মওলা হুজুরের ডান হাতখানা নিজের মাথায় স্থাপন করে আবেগমাখা কণ্ঠে তিনি এই কথা বলেন) [সূত্র: মাসিক আলোকধারা, আগস্ট ১৯৯৮ সংখ্যা]
৩. “তাঁকে (মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারীকে) আমি উত্তম চরিত্র ও আলেমদের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার দৃষ্টান্তরূপে পেলাম”
- হযরত তৌফিস রেজা খান বেরলভী (ম.), আউলাদে ইমাম আহমদ রেজা খান বেরলভী (র.)। [সূত্র: মাসিক আলোকধারা]
৪. “ওনি (সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান) আমার বড় ভাই সৈয়দ মীর হাসান” ।
- অছিয়ে গাউসুল আযম সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (ক.) [বর্ণনাকারীঃ মোহাম্মদ ফকির, চিকদাইর, রাউজান]
৫. “আমার হাসান মিয়া মস্তবড় আল্লাহর অলি। মানুষের কল্যাণের জন্য এসেছেন। সাধ্যমত ইজ্জত সম্মান করবেন।”
৬. “আল্লাহ ও রাসূলের মধ্যে যেমন ভিন্নতা নেই ঠিক আমি আর আমার হাসান মিয়ার মধ্যেও কোন ভিন্নতা নেই।”
৭. “শিশুরা খাওয়ার জন্য একটু দুধও পাচ্ছে না, আমার হাসান মিয়া না বাঁচলে দুনিয়াতে কোন শিশু বাঁচবে না।” (১৯৭৩-৭৪ সালে আফ্রিকার ইথিওপিয়া ও বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের সময় শাহানশাহ্ বাবাজান একথা বলেন)
৮. “আমি এখানে (সুইচের সাথে এলোমেলো জড়ানো ইলেক্ট্রিক তারে) হাত দিলে আমার হাসান মিয়া হাত ধরে টান দেয়। এভাবে হাসান মিয়া আমাকে তিনবার বাঁচিয়েছে।” (এ কথা বলে শাহানশাহ্ বাবাজান সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ ও জামাল আহমদ সিকদার সাহেবকে প্রশ্ন করেন) “আল্লাহর অলি কি কারো ভাই হয়? উনাকেও (মওলা হুজুরকে) আপনারা বাবাজান বলে ডাকবেন।” (রহস্যপূর্ণ বাণী)
- বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)
[বর্ণনাকারীঃ জামাল আহমদ সিকদার]
৯. “আমি তিন থানার উপরে আমার ভাই হাসান চার থানার উপরে। আমারও উপরে।”
- হযরত শাহজাহান চৌধুরী (ম.)। [ অাধ্যাত্মিক মর্যাদার ইঙ্গিত বিশেষ বাণী। উল্লেখ্য যে, ২০১০ সালে একদিন হযরত শাহজাহান মামা দরবারে আসলে জনাব জামাল আহমদ সিকদারের সাথে গাউসিয়া হক মনজিল অফিসে বসেন। এমন সময় জনাব জামাল আহমদ সিকদারের মনে প্রশ্ন আসে ‘ শাহানশাহ্ বাবাজান মওলা হুজুরকে আল্লাহর মস্তবড় অলি বলেছেন আর উনার (শাহজাহান মামার) আচার-আচরণ অনেকখানি শাহানশাহ্ বাবাজানের সাথে মিলে যায় । এ দুইজনের মধ্যে কার আধ্যাত্মিক অবস্থান উপরে?’ সঙ্গে সঙ্গে শাহজাহান মামা জনাব জামাল আহমদ সিকদার সাহেবকে উপরোক্ত কথাটি বলেন এবং ৫০০ টাকাও হাতে দেন । যে টাকা এখনো আমার কাছে (শওকত) সংরক্ষিত আছে]
১০. “মাননীয় শেখ হাসিনা আপনি আমাকে দুইবার নমিনেশন দিয়েছিলেন কিন্তু আমি নির্বাচিত হতে পারিনি। যার দোয়াতে আমি এমপি ও মন্ত্রী হয়েছি তাঁকে (মওলা হুজুর) প্রটোকল ভেঙ্গে পা’য়ে ধরে সালাম করেছি।”
- জনাব এম.এ মান্নান, সাবেক মন্ত্রী, বাংলাদেশ শ্রম ও বৈদেশিক কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ১৯৯৬ । [সূত্র: তিনি যখন বাংলাদেশের শ্রম মন্ত্রী ছিলেন ঐ সময় মওলা হুজুরকে চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে পা’য়ে ধরে সালাম করেন। যার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, একজন মন্ত্রী হয়ে প্রটোকল ভেঙ্গে জনসম্মুখে এভাবে সালাম করার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী মান্নান সাহেব প্রধানমন্ত্রীকে এই উত্তর দেন। বর্ণনাকারী জামাল আহমদ সিকদার।]
১১. “আরব, তোরান, ইরান, আফগান, পাকিস্তান সহ বিশ্বের প্রায় সকল দেশে আমি গিয়েছি কিন্তু বর্তমানের কোন আলেমের কাছে আমি ‘এলকা এলহাম’ দেখতে পাইনি। পবিত্র ইসলাম ধর্মে সূফিদের মধ্যে বর্তমানে ক্রান্তিকাল চলছে দেখে আমি খুবই চিন্তিত এমন সময় আমার কাছে মওলা হুজুরের কথা বারবার মনে পড়ে, মনে হচ্ছে উঁনাকে দিয়ে অনেক কিছু সম্ভব।”
- শামিম মোহাম্মদ আফজাল, মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন। [সূত্র: ২০১২ মহান ২৬ আশ্বিন উরস শরীফ উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রীয় মাহফিল]
১২. “এক হাজার ওয়াট এর কোন একটি বাল্ব যদি এখান জ্বলে তা কিন্ত ১০০ মাইল দূর থেকে কেউ দেখবে না । ঠিক মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী যে কত বড় মাপের আল্লাহর অলি তা কাছে না গেলে বুঝতে পারবেন না। কাছ থেকে দেখেছি বলে উনি কত বড় মাপের আল্লাহর অলি তা বুঝেছি। এজন্যই তাঁর পিছু পিছু ঘুরি।”
- ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। [সূত্র: বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মাইজভাণ্ডারী দর্শন শীর্ষক সেমিনার, বেতাগী, রাঙ্গুনিয়া। ১৯ ডিসেম্বর ২০১২]
১৩. “মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী হচ্ছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এর অহংকারের জায়গা। আল্লাহ্ উনাকে ভালবাসেন, মওলা হুজুরের আলোচনা যখন আসমানে চলে দুনিয়ার মানুষ তখন তাঁকে রাহবারে আলম বলে ডাকেন ও ভালবাসেন।”
- ড. মাওলানা মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ
সহযোগী অধ্যাপক, আরবী বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। [সূত্র: অছি-এ গাউসুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী জীবন-কর্ম ও বেলায়তে মোতলাকা শীর্ষক আলোচনা, ফটিকছড়ি, ১৩ মে ২০১৮ খ্রি:]
১৪. “একজন মানুষের জীবনের দিক পরিবর্তনের জন্য মহান মুনিব মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারীর কোন কথা নয় এক পলক দৃষ্টিই যথেষ্ট।”
- ড. নিজাম উদ্দিন জামি, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
[সূত্র: মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি রোসাংগিরী শাখার দায়রা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২০০৮]
১৫. “মাননীয় হাসান....আমি যেদিন আপনাকে দেখেছি, সেদিনই মনে হয়েছে আপনি নফসে জাকিয়া, আপনি ইয়াহিয়া, আপনি সিরাজ ভ্রাতা মেহেদী। আপনি যেন সেই যুবক যে রাভী নদীতে হারিয়ে যাওয়ার পর যার জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীর এক বছর শোক পালন করেছিলেন। আপনাকে আমার খুব আপন মনে হয়। আপনাকে দেখতে ইচ্ছে হয় খুব। দোয়া করুন যেন লেখায় ধার আসে।”
- ইদরিস আলম
খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক। [সূত্র: ‘ইদরিস আলমের কলাম’ দৈনিক পূর্বকোণ-৮ অক্টোবর ১৯৯৮]
১৬. “দুনিয়ার অনেক পীরকে আমি দেখেছি এবং প্রায় সকল পীরের মধ্যে পীর হিসেবে আত্ম অহংকারও আমি দেখেছি কিন্তু একমাত্র মওলা হুজুরকে কাছে থেকে দেখে বুঝতে পারলাম উনি একজন মাটির মানুষ”
- আহমদুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট কলামিস্ট। [সূত্র: তুরুস্ক সফর শেষে দরবারে জিয়ারতে আসলে জনাব জামাল আহমদ সিকদারের সাথে আলাপচারিতায় তিনি এই মন্তব্য করেন, বর্ণনাকারী মোঃ শওকত আলী।
১৭. “শাহানশাহ্ বাবাজানের ওফাতের পর ১৯ বছরের একজন কিশোর মওলা হুজুরকে আমরা আমাদের রাহবার হিসেবে স্বীকার ও গ্রহণ করি অথচ ইসলামের প্রথম দিকে যাঁকে আল্লাহর রাসূল (স.) ‘আমি যার মওলা, আলীও তার মওলা’ বলে ঘোষণা করার পরও অনেকে মেনে নিতে পারেনি। তাই হাশরের মাঠে আমাদের এই কাজে আল্লাহর রাসূল (স.) সন্তুষ্ট হয়ে আমাদেরকে সম্মানিত করবেন।”
- হযরত সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ (র.) [প্রধান খলিফা বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)]
১৮. হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (ক.), বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.), সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ (র.) সহ অনেক অলিআল্লাহ কে দীর্ঘদিন ধরে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। একজন মহামানবের কাছে যে সকল গুণাবলি থাকা প্রয়োজন মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারীর কাছে আমি তার সবকটি দেখেছি। তাঁর কাজকর্ম স্বভাব-চরিত্র দেখে আমি নিশ্চিতভাবে বুঝতে পেরেছি শাহানশাহ্ বাবাজানের পর মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী হচ্ছেন ‘জামানার মোজাদ্দেদ’, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের মূল সাজ্জাদানশীন, সব্যসাচী অলিআল্লাহ।
আপনাদের বিশ্বাস না হলে বিশ্বের প্রধান পাঁচটি সমস্যার সমাধান এর জন্য উনার কাছে যান, পাঁচটি প্রশ্ন উনাকে করেন (একটি আধ্যাত্মিক, একটি রাজনৈতিক, একটি অর্থনৈতিক, একটি সামাজিক, একটি পারিবারিক) একই সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে বর্তমান সময়ের পৃথিবীর অন্যান্য যত সূফি ব্যক্তিত্বগণ আছেন উনাদের কাছেও যান। প্রশ্ন উত্তরগুলো রেকর্ড করেন তারপর মিলিয়ে দেখেন। নিশ্চিত আপনারা আমার কথার সত্যতার প্রমাণ পাবেন।”
“হাশরের ময়দানে বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ বাবাজান আমাদের জিজ্ঞেস করবেন, বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্ব তোমাদের কাছে রেখে এসেছিলাম, তাঁর (মওলা হুজুর) মিশনকে বিশ্ববাসির কাছে পৌছানোর জন্য তোমরা কি করেছ? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সারাজীবন কাজ করার চেষ্টা করেছি।”
- জামাল আহমদ সিকদার, লেখক, গবেষক ও সংগঠক, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।

0 মন্তব্যসমূহ